মেনু নির্বাচন করুন
তুলা উন্নয়ন বোর্ড একটি সরকারী প্রতিষ্ঠান। ১৯৭৬ সাল  হতে যশোর জোনের মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রম শুরু হয়। প্রথমে বৃহত্তর যশোর ও কুষ্টিয়া এলাকা নিয়ে যশোর জোনের যাত্রা শুরু হলেও বর্তমানে যশোর জোনাল অফিসের আওতায় যশোর জেলায় ১৫টি কটন ইউনিট অফিস এবং ১ টি জিনিং কেন্দ্র (ঝিকরগাছা উপজেলায়),  ঝিনাইদহ জেলার কালিগঞ্জ উপজেলায় ২ টি ইউনিট  অফিস, সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলায় ১টি এবং কলারোয়া উপজেলায় ১টি ইউনিট অফিসের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। তুলা উৎপাদনের লক্ষ্যে চাষীদের উদ্বুদ্ধকরণ এবং ফলন বৃদ্ধির লক্ষ্যে চাষীদের  প্রশিক্ষণ প্রদান, প্রদর্শনী প্লট স্থাপন, চুক্তিবদ্ধ চাষীদের মাধ্যমে মানসম্পন্ন বীজ উৎপাদন, মাঠদিবস, মাঠ পরিদর্শন, ব্যক্তিগত যোগাযোগ, দলীয়সভা, বিভাগীয় ঋণ প্রদান এবং ব্যাংক ঋণ প্রাপ্তিতে সহায়তা প্রদান, কৃষি উপকরণ প্রাপ্তি ও উৎপাদিত তুলা বাজারজাতকরণে সহাযতা প্রদান করা হয়ে থাকে।

সাধারণ তথ্য

তুলা এবং বস্ত্র উৎপাদনে বাংলাদেশের গৌরবময় ঐতিহ্য আছে। মধ্য যুগে বাংলা সূক্ষ্ণ সুতার মসলিনের জন্য বিখ্যাত ছিল। মসলিন শাড়ী তৈরীর জন্য প্রয়োজনীয় তুলা চাষ করা হতো ঢাকার আশেপাশের উঁচু জমিতে যেখানে বেশীর ভাগ তাঁত শিল্প গড়ে উঠেছিল। বস্তুতঃ ব্রিটিশ শাসনামলে মসলিনের উৎপাদন এবং ব্যবসা ক্রমান্বয়ে কমে যায়। ফলস্বরূপ ঊনিশ শতকের শুরুর দিকে কল-কারখানা বন্ধ হয়ে যায়। পাকিস্তান শাসনামলে এ দেশে তুলা উৎপাদনের প্রচেষ্টা খুব সীমিত ছিল। স্বাধীনতার আগে স্থানীয় বস্ত্র কলের জন্য কাঁচামালের যোগান দেয়া হতো পশ্চিম পাকিস্তান থেকে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর পাকিস্তান কাঁচামাল সরবরাহ বন্ধ করে করে দিলে স্থানীয়ভাবে তুলার উৎপাদনের গুরুত্ব অনুভূত হয়েছিল। এসময় আমাদের বস্ত্র শিল্পগুলো কাঁচামালের অভাবে মারাত্মক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিল। এই অবস্থায় ১৯৭২ সালে দেশে তুলার চাষ সম্প্রসারণ করার জন্য কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে তুলা উন্নয়ন বোর্ড গঠিত হয় । তুলা উন্নয়ন বোর্ড ১৯৭৪-৭৫ সালে মাঠ পর্যায়ে আমেরিকান আপল্যান্ড তুলা দিয়ে পরীক্ষামূলক তুলার চাষ শুরু করে। ১৯৭৬-৭৭ সালে আমেরিকা হতে নতুন তুলার জাত প্রবর্তনের মাধ্যমে দেশে ব্যপক পরিমানে তুলা চাষ শুরু হয়। ১৯৯১ সালে তুলা গবেষনার দায়িত্ব বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান হতে তুলা উন্নয়ন বোর্ডের নিকট স্থানান্তর করা হয়।

সাংগঠনিক কাঠামো

কর্মকর্তাবৃন্দ

ছবিনামপদবিফোনমোবাইলইমেইল
ড. মোঃ আব্দুস সালামপ্রধান তুলা উন্নয়ন কর্মকর্তা042163255০১৭১৬-১৩৫০৩১salam6776@yahoo.com
খন্দকার আহসানুল ইসলামতুলা উন্নয়ন কর্মকর্তা ccdo.jes@cdb.gov.bd

কর্মচারীবৃন্দ

ছবিনামপদবি
মোঃ সিরাজুল ইসলামকটন ইউনিট অফিসার
সন্তোষ কুমার বিশ্বাসকটন ইউনিট অফিসার
মোঃ জাফিরুল হককটন ইউনিট অফিসার
মোঃ লিয়াকত আলী কটন ইউনিট অফিসার
মোস্তফা আবুল বাশার, কটন ইউনিট অফিসার
মোঃ আব্দুল হামিদ মোল্লাকটন ইউনিট অফিসার
মোঃ গিয়াস উদ্দীন, কটন ইউনিট অফিসার
মোঃ শফিয়ার রহমানকটন ইউনিট অফিসার
মোঃ জাবেদ আলী জমাদ্দারকটন ইউনিট অফিসার
এম এ সামাদ, কটন ইউনিট অফিসার
মোঃ শফিউর আলমকটন ইউনিট অফিসার
মীর শহিদুর ইসলামকটন ইউনিট অফিসার
মোঃ ওয়াহিদুল ইসলামকটন ইউনিট অফিসার
রবিন্দ্র মন্ডলসহকারী কটন ইউনিট অফিসার
বিধান চন্দ্র সরকারসহকারী কটন ইউনিট অফিসার

প্রকল্পসমূহ

যোগাযোগ

তুলা উন্নয়ন বোর্ড, যশোর জোনাল অফিসটি ঢাকা রোড, বাবলাতলা, উপ-শহর, যশোরে অবস্থিত।

তুলা উন্নয়ন বোর্ড, জোনাল অফিস,

মেঘবর্ষান, বাড়ি নং-৮৫, সেকশন-২, পি.ও, নতুন শহর, যশোর
টেলিফোন: ৮৮০-৪২১-৬৩২৫৫,ফ্যাক্স: ৮৮০-৪২১-৬৩২৫৫

Email: ccdo.jes@cdb.gov.bd

কী সেবা কীভাবে পাবেন

প্রদেয় সেবাসমূহের তালিকা

সিটিজেন চার্টার

১। তুলা চাষের জন্য চাষীদের উদ্বুদ্ধ করা।

২। তুলার ফলন বৃদ্ধির লক্ষ্যে উন্নত প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও চাষীদের নিকট হস্তান্তর করা।

৩। তুলা চাষীদের প্রশিক্ষণ প্রদান করে উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়তা করা।

৪। প্রযুক্তি সম্প্রসারণের জন্য প্রদর্শনী প্লট স্থাপন করা।

৫। তুলা ফসল পরিদর্শন ও চাষীদের পরামর্শ প্রদান করা ।

৬। তুলা চাষীদের ঋণ ও অন্যান্য উপকরণ প্রাপ্তিতে সহায়তা করা।

৭। চাষীদের মাধ্যমে প্রত্যায়িত মানের তুলা বীজ উৎপাদন করা।

৮। তুলা চাষীদের উৎপাদিত তুলা বীজ বাজারজাত করণে সহায়তা প্রদান করা।

৯। চাষীদের মান সম্পন্ন তুলাবীজ উৎপাদনে সহায়তা করা।

১০। চাষীদের উন্নত মানের তুলাবীজ সরবরাহ নিশ্চিত করা্

১১। তুলা ফসলের সাথে সাথী ফসল চাষকে জনপ্রিয় করা।

তথ্য অধিকার

আইন ও সার্কুলার